সর্বশেষ সংবাদ ::

আর্মড ফোর্সেস মেডিকেল কলেজ

আর্মড ফোর্সেস মেডিকেল কলেজ (AFMC)

আর্মড ফোর্সেস মেডিকেল কলেজ (AFMC)

ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট, ঢাকা,বাংলাদেশ

ইমেল: This email address is being protected from spambots. You need JavaScript enabled to view it.

 ওয়েব সাইট

 

ভর্তি পরীক্ষা ২০১৭-১৮

সার্কুলার/নোটিশ অনলাইন আবেদন প্রবেশপত্র  ডাউনলোড সিট প্লান রেজাল্ট ভর্তির তথ্য

 ভর্তির নির্দেশিকা ডাউনলোড ২০১৭-১৮

 

পরিচিতি: সামরিক বাহিনীর মেডিকেল কোরের জন্য আগে বাইরে থেকে চিকিৎসক নেয়া হত। কিন্তু অনেক সময় দেখা যেত বাইরের মেডিকেল গ্রাজুয়েটদের মধ্যে সামরিক বাহিনীর প্রয়োজনীয় গুণাবলীর কিছুটা ঘাটতি থাকে। একারণে ১৯৯৯ সালে সামরিক বাহিনীর তত্ত্বাবধানে আলাদা একটি মেডিকেল কলেজ আর্মড ফোর্সেস মেডিকেল কলজ চালু করা হয়। পূর্বে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এফিলিয়েশন নিয়ে এখানকার এমবিবিএস কোর্স পরিচালিত হত। তবে এখন বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস এর তদারক করে। বাংলাদেশ মেডিকেল এন্ড ডেন্টাল কাউন্সিল এর স্বীকৃতিও আছে মেডিকেল কলেজটির।

 

যারা এখানে পড়তে পারবে: প্রতিবছর উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের পর ভর্তি বিজ্ঞপ্তি দেয়া হয়। সরকারী এবং বেসরকারী মেডিকেল কলেজের  যে একীভূত ভর্তি পরীক্ষা হয়, আর্মড ফোর্সেস মেডিকেল কলেজ তার আওতাভূক্ত নয়। নির্ধারিত শিক্ষাগত এবং শারীরিক যোগ্যতা থাকলে যে কেউ এখানে ভর্তি হতে পারে। দুই পদ্ধতিতে এখানে ভর্তি করা হয়; একটি হল এমসি ক্যাডেট অন্যটি এএফএমসি ক্যাডেট

এএমসি ক্যাডেট: এএমসি ক্যাডেটের শিক্ষা ব্যয় কর্তৃপক্ষ বহন করে এবং কোর্স শেষে চাকরিতে যোগদানের বাধ্যবাধকতা আছে। এএমসি ক্যাডেটদের ভর্তি ফি, টিউশন ফি, উন্নয়ন ফি, লাইব্রেরী ফি, ম্যাগাজিন ফি, খেলাধূলা ফি ইত্যাদি দিতে হয় না। তবে থাকার জন্য মেস ফি, লন্ড্র ফি ইত্যাদি দিতে হয়। এছাড়া এএমসি ক্যাডেটদের প্রত্যেকে পকেট মানি হিসেবে ১,৫০০ টাকা পায়।

এএফএমসি ক্যাডেট: এএসএমসি ক্যাডেটদের শিক্ষা ব্যয় নিজেকে বহন করতে হয় এবং চাকরিতে যোগ দেবার বাধ্যবাধকতা নেই। তবে অন্যান্য মেডিকেল গ্রাজুয়েটদের মত এরা সামরিক বাহিনীতে যোগ দেবার জন্য আবেদন করতে পারে। 

অন্যান্য: বিএমএ, এএমসি সেন্টার এন্ড স্কুল এবং এএফএমআই এ ট্রেনিং সম্পন্ন করতে হয় এএমসি ক্যাডেটদের। বিএমএ-তে মেডিকেল ক্যাডেটরা ক্যাপ্টেন র‍্যাংকের বেতন ভাতা পেলেও ব্যাজ পরার অনুমতি পান না। পিআরসি পরীক্ষার পর রেগুলার কমিশন লাভ করেন ক্যাডেটরা। 

মেডিকেল কোর্সটি দীর্ঘমেয়াদী হওয়ায় এএমসি ক্যাডেটদের তিন বছরের অতিরিক্ত সিনিয়রিটি দেয়া হয়।

 

ভর্তির যোগ্যতা:

০১. জন্মসূত্রে বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে।

০২. ছেলে-মেয়ে উভয়ই আবেদন করতে পারে, বয়স অন্ত বিশ হতে হবে।

০৩. অবিবাহিত হতে হবে।

শিক্ষাগত যোগ্যতা:

  • পদার্থ, রসায়ন এবং জীববিজ্ঞানসহ এইচএসসি বা সমমানের পরীক্ষায় পাশ করতে হবে।
  • এসএসসি এবং এইচএসসির প্রতিটি পরীক্ষায় নূন্যতম জিপিএ ৪.০০ করে মোট জিপিএ ৮.০০ হতে হবে।
  • ভর্তি বছরের আগের বছরে পাশ করা শিক্ষার্থীরাও আবদন করতে পারে।
  • জীববিজ্ঞানের জিপিএ অন্তত ৩.০০ থাকতে হবে।

শারীরিক যোগ্যতা:

এএমসি ক্যাডেট:

  • উচ্চতা: পুরুষ- নূন্যতম ১.৬৩ মি বা পাঁচ ফুট চার ইঞ্চি, মহিলা-১.৫৫ মিটার বা পাঁচ ফুট এক ইঞ্চি।
  • ওজন: পুরুষ-নূন্যতম ৪৫.৩৬ কেজি, মহিলা ৪০.৭২ কেজি।
  • বুকের মাপ: পুরুষ-স্বাভাবিক অবস্থায় ০.৭৬ মি. এবং প্রসারিত অবস্থায় ০.৮১ মি., মহিলা: স্বাভাবিক অবস্থায়: ০.৭১ মি.
  • শ্রবণ ক্ষমতা স্বাভাবিক হতে হবে এবং বর্ণান্ধতা গ্রহণযোগ্য নয়।

এএফএমসি:

  • উচ্চতা: পুরুষ- নূন্যতম ১.৫৭ মি বা পাঁচ ফুট চার ইঞ্চি, মহিলা-১.৫০ মিটার বা পাঁচ ফুট এক ইঞ্চি।
  • ওজন: এএমসি ক্যাডেটদের ক্ষেত্রে নূন্যতম ওজনের ২০% কম বা সর্বোচ্চ ওজনের ২০% বেশি পর্যন্ত গ্রহণ করা হয়।
  • বুকের মাপ: পুরুষ-স্বাভাবিক অবস্থায় ০.৭৬ মি. এবং প্রসারিত অবস্থায় ০.৮১ মি., মহিলা: স্বাভাবিক অবস্থায়: ০.৭১ মি.
  • শ্রবণ ক্ষমতা স্বাভাবিক হতে হবে এবং বর্ণান্ধতা গ্রহণযোগ্য নয়।

কোটামোট ১০০ জন ক্যাডেটের ৪০% এএমসি ক্যাডেট হিসেবে ভর্তি করা হয়। ৩০ ভাগ আসন সামরিক বাহিনীতে কর্মরত এবং অবসরপ্রাপ্ত ব্যক্তিবর্গের সন্তানদের জন্য সংরক্ষণ করা হয়, ২ ভাগ আসন সংরক্ষণ করা হয় মুক্তিযোদ্ধা সন্তানদের জন্য আর ১ ভাগ আসন সংরক্ষণ করা হয় উপজাতিদের জন্য। ছাত্র-ছাত্রীর অনুপাত ৭০:৩০ রাখার চেষ্টা করা হয়। তবে প্রয়োজনানুসারে এর পরিবর্তন হতে পারে।

আবেদন প্রক্রিয়া: বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন

 

ভর্তি পরীক্ষাএএমসি এবং এএফএমসি-র জন্য যথাক্রমে ২২০০ এবং ১৮০০ করে মোট ৪,০০০ আবেদনকারীকে পরীক্ষা দেয়ার সুযোগ দেয়া হয়। ১০০ নম্বরের এমসিকিউ পরীক্ষা নেয়া হয়। পাশ নম্বর ৫০। এইচএসসি পরীক্ষার সিলেবাস থেকে প্রশ্ন করা হয়। পদার্থবিজ্ঞা, রসায়নবিজ্ঞান এবং জীব বিজ্ঞানের জন্য ৩০ নম্বর করে বরাদ্দ থাকে, আর ইংরেজীতে থাকে ১০ নম্বর। এছাড়া এসএসসি-এর জিপিএ-এর আট গুণ এবং এইচএসসি-এর জিপিএ-এর ১২ গুণ এভাবে হিসেবে করে চূড়ান্ত মেধা তালকা তৈরি করা হয়।

 

চূড়ান্ত ভর্তির আগে একটি মেডিকেল পরীক্ষা করা হয়।