বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচ সম্পর্কে কিছু আলোচনা

বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচ সম্পর্কে কিছু আলোচনাসেমি ফাইনালে ১৫ জুন বাংলাদেশ-ভারত লড়াই। ভারতীয়রা বাংলাদেশকে কেমন প্রতিপক্ষ ভাবেন তার একটা ধারণা পাওয়া গেল আজকের আনন্দবাজার অনলাইনে প্রকাশিত এক রিপোর্টে।

রিপোর্টটিতে বলা হয়- যদি কেউ ভেবে থাকেন, উপমহাদেশীয় ক্রিকেট দ্বৈরথ বলতে শুধুই ভারত বনাম পাকিস্তান, তাঁর ভুল ধরিয়ে দেওয়ার সময় হয়েছে। ভারত-পাক মহারণ হয়তো এখনও সারা বিশ্বের বিচারে সব যুদ্ধের সেরা যুদ্ধ। এর ধারেকাছে হয়তো কিছু আসতে পারবে না। কিন্তু উপমহাদেশীয় উত্তাপের বিচারে খুব কাছাকাছি চলে এসেছে ভারত বনাম বাংলাদেশের ক্রিকেট যুদ্ধ।

রিপোর্টে বলা হয়, ক্রিকেটীয় যোগ্যতায় দু’দলের মধ্যে ব্যবধান তো গত কয়েক বছরে কমেছেই, মাঠের বাইরের নানা বিষয় নিয়ে দ্বিপাক্ষিক স্তরে সম্পর্কের চাপানউতোর চলেছে। আর তার প্রভাব পড়েছে ক্রিকেটের লড়াইয়েও। এখন আর ভারত বনাম বাংলাদেশ মানে নীরব ক্রিকেট দ্বৈরথ নয়। বরং দু’দেশের সমর্থকদের তীব্র রেষারেষি আর সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং ওয়েবসাইটে রীতিমতো যুদ্ধ ঘোষণা।

কখন থেকে এই লড়াইয়ের শুরু ? উত্তরে বলা হয়. ২০০৭ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজে বিশ্বকাপের ম্যাচ দিয়ে। গ্রেগ চ্যাপেল-রাহুল দ্রাবিড়ের ভারতকে হারিয়ে তাঁদের শুধু গ্রুপ লিগ থেকেই ছিটকে দিল বাংলাদেশ।

বাংলাদেশ অধিনায়কের সমালোচনা করে বলা হয়, যখন মাশরাফি মুর্তজা ম্যাচ জিতে বলে দিলেন, লিফ্‌টের মধ্যে অনিল কুম্বলেদের সঙ্গে দেখা হয়েছিল। ওদের কথাবার্তা শুনে মনে হচ্ছিল, ধরেই নিয়েছে আমাদের হারিয়ে পরবর্তী রাউন্ডে চলে গিয়েছে।

রিপোর্টটিতে আরো বলা হয়, মাশরাফিরা জবাব দিয়েছিলেন। ভারতকে হারিয়ে তাঁরা শোকস্তব্ধ করে দেন সচিন, সৌরভদের। এর পর থেকে আর কখনও পুরনো বন্ধুত্বের সম্পর্ক ফিরে আসেনি। বরং রেষারেষি আর বাগ্‌যুদ্ধ বেড়েছে।

চট্টগ্রামে টেস্ট খেলতে গিয়ে বীরেন্দ্র সেহবাগ সোজাসাপ্টা ঘোষণা করে দিলেন, বাংলাদেশ টেস্টটা কিছুতেই জিতবে না। সাংবাদিকেরা জিজ্ঞেস করলেন, কেন? সেহবাগ বলে দিলেন, কারণ খুব সহজ। ওদের কুড়িটা উইকেট নেওয়ার ক্ষমতা নেই।

পরের দিন টেস্টের প্রথম দিনেই দারুণ বল করল বাংলাদেশ। তুলে নিল ভারতের আট উইকেট। পাল্টা হুঙ্কার ছেড়ে গেলেন মুশফিকুর রহিম। তোপের মুখে পড়লেন সেহবাগ। সেই থেকে শুরু হয়ে গেল নতুন এক রেষারেষি এবং কথার যুদ্ধ। ২০১৫ বিশ্বকাপে রোহিত শর্মার বিরুদ্ধে আউটের আবেদন নাকচ হওয়া নিয়ে ফেটে পড়লেন বাংলাদেশের ক্রিকেট ভক্তরা। সেই উত্তেজনা বেশ কয়েক দিন চলেছিল।

আনন্দবাজার আরো লিখেছে, ধোনির ভারত এর পর বাংলাদেশে গিয়ে এক দিনের সিরিজ হারল। সেই সময় বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের মাঠের মধ্যে উচ্ছল উৎসব ভাল লাগেনি ভারতীয়দের।

আসন্ন ১৫ জুনের লড়াই সম্পর্কে বলা হয়, পরের স্টেশন বার্মিংহাম । ইতিমধ্যেই দু’টো ব্যাপার নিয়ে খটাখটি শুরু হয়ে গিয়েছে। শিরোনামে আবার সেহবাগ। রবিবার কোহলিরা জেতার পর টুইটারে অভিনন্দন জানিয়ে বীরু লিখেছেন, সেমিফাইনাল এবং ফাইনালের জন্য শুভেচ্ছা রইল। তাঁর টুইট দেখে বাংলাদেশি ক্রিকেট ভক্তরা ফের ক্ষিপ্ত।

দ্বিতীয় কারণ, সেমিফাইনাল ম্যাচের টিকিট। চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির দু’টো সেমিফাইনাল হচ্ছে কার্ডিফে এবং বার্মিংহামে। কে কোনটাতে খেলবে বোঝা যাচ্ছিল না। কিন্তু ভারতীয় ক্রিকেট ভক্তরা বুদ্ধি করে দু’টো জায়গারই প্রচুর টিকিট আগে থেকে কেটে রেখেছিলেন। এখন অবশ্যই কার্ডিফের টিকিটগুলো বিক্রি করে দেবেন তাঁরা।

এজবাস্টনে তাই ভারতীয়দেরই সংখ্যাধিক্য থাকার কথা। ও দিকে বাংলাদেশি ভক্তরাও টিকিটের জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছেন। তাঁদের দেশ এই প্রথম কোনও বিশ্ব মানের ইভেন্টে সেমিফাইনালে উঠেছে। সকলে এই ইতিহাসের সাক্ষী হতে চান। এর আগে ২০১৫ বিশ্বকাপে মাশরাফি-রা কোয়ার্টার ফাইনালে উঠে ভারতের কাছেই হেরে গিয়েছিলেন। মারকাটারি সেমিফাইনালের টিকিটের জন্য তাই হাহাকার চলছে।

রিপোর্টের মন্তব্যে বলা হয়, এজবাস্টনে একটা দল ইতিহাস রক্ষা করার চেষ্টা করবে। তারা গত বারের চ্যাম্পিয়ন ভারত। অন্য দলটা ইতিহাস তৈরির খোঁজে নামবে। শান্তিপূর্ণ ম্যাচ হবে? সম্ভাবনা ক্ষীণ।

 

চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে বিকেলে মাঠে নামছে পাকিস্তান-শ্রীলঙ্কা

চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে বিকেলে মাঠে নামছে পাকিস্তান-শ্রীলঙ্কাচ্যাম্পিয়নস ট্রফির গ্রুপ ‘বি’তে শেষ ম্যাচে মাঠে নামার আগেই একটি করে জয় পেয়েছিল সব ক’টি দল। ফলে সেমিফাইনালের জন্য গ্রুপের শেষ ম্যাচটি তাদের অঘোষিত কোয়ার্টার ফাইনাল হয়ে দাঁড়ায়। গতকাল দক্ষিণ আফ্রিকাকে অনায়াসে হারিয়ে শেষ চার নিশ্চিত করেছে ভারত। অপর ম্যাচে সেমিফাইনাল নিশ্চিত করতে আজ ডু অর ডাই ম্যাচে মুখোমুখি হচ্ছে উপমহাদেশের দুই প্রতিপক্ষ পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কা।

আসরে টিকে থাকার লড়াইয়ে আজ সোফিয়া গার্ডেনে মুখোমুখি হবে এই দুই প্রতিপক্ষ । বাংলাদেশ সময় বিকেল ৩.৩০ মিনিটে শুরু হবে ম্যাচটি। সরাসরি সম্প্রচার করবে বিটিভি, গাজী টিভি, মাছরাঙ্গা ও স্টার স্পোর্টস ১।

দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে গতকাল ৮ উইকেটের বড় জয়ে গ্রুপ ‘বি’তে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ভারত। ১৫ জুনের সেমিফাইনালে তারা মুখোমুখি হবে বাংলাদেশের। এদিকে আজকের ম্যাচে জয়ী দল খেলবে গ্রুপ ‘এ’ চ্যাম্পিয়ন ইংল্যান্ডের বিপক্ষে।

চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে নিজেদের প্রথম ম্যাচে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারতের বিপক্ষে ১২৪ রানে হেরেছে পাকিস্তান। তবে ওয়ানডে র‌্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষে থাকা দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে পরের ম্যাচে ১৯ রানে জয় পায় দলটি। একই গ্রুপে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে ৯৬ রানে হেরেছিল শ্রীলঙ্কা। তবে অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুসের ফেরার দিনে দ্বিতীয় ম্যাচে শক্তিশালী ভারতের বিপক্ষে ৭ উইকেটে জয় পেয়েছে লঙ্কানরা।

পরিসংখ্যানে শ্রীলঙ্কার চেয়ে এগিয়ে রয়েছে পাকিস্তানই। এই পর্যন্ত ১৪৭টি ওয়ানডে ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছে দু’দল। এর মধ্যে ৮৪ ম্যাচে জয় পেয়েছে পাকিস্তান। শ্রীলঙ্কা জিতেছে ৫৮টিতে। একটি ম্যাচ ড্র এবং বাকি চারটিতে কোনো ফলাফল আসেনি। তবে পরিসংখ্যানের হিসেব ভুলে আজ সেমির টিকিট পেতে নিজেদের সেরাটা দিতে মুখিয়ে থাকবে অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুস ও সরফরাজ আহমেদের দল।

 

অস্ট্রেলিয়া ১ ওইকেট হারিয়ে ৭৫ রান সংগ্রহ করেছে

আইসিসি চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে নিজেদের শেষ ম্যাচে ইংল্যান্ডের মুখোমুখি হয়েছে অস্ট্রেলিয়া। টস হেরে ব্যাট করছে অস্ট্রেলিয়ার। 

অস্ট্রেলিয়া ১ উইকেট হারিয়ে  ১৪ ওভারে ৭৫ রান সংগ্রহ করেছে।

আজকের ম্যাচটি ইংল্যান্ডের জন্য আনুষ্ঠানিকতা হলেও অস্ট্রেলিয়ার জন্য বাঁচা-মরার ম্যাচ। আজকের ম্যাচে জিতলে বাংলাদেশকে পেছনে ফেলে সেমিফাইনালে যাবে অস্ট্রেলিয়া। আর হেরে গেলে গ্রুপপর্ব থেকেই বিদায় নিবে। ইংল্যান্ডের সঙ্গে প্রথমবারের মতো সেমিফাইনালে যাবে বাংলাদেশ।

 

টাইগারদের জয়ে ক্রিকেট তারকাদের উল্লাস

নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে টিকে থাকল বাংলাদেশ। তার চেয়ে বড় কথা, এমন একটা অবস্থা থেকে বাংলাদেশ দল কিউইদের হারিয়েছে যেটাকে অসাধারণ, অনন্য সাধারণ বললেও খুব কম বলা হবে। ২০০৫ সালে ১৮ জুন যে ভেন্যুতে অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়েছিল, সেই একই ভেন্যু কার্ডিফের সোফিয়া গার্ডেনে এবার হলো কিউই বধের কাব্য। সাকিব আল হাসান ও মাহমুদউল্লাহর অসাধারণ সেঞ্চুরিতে ৫ উইকেটের জয় পেয়েছে মাশরাফির দল। টাইগারদের এমন সাফল্যে মুগ্ধ ক্রিকেটপ্রেমীরা। নিউজিল্যান্ডকে হারানোর পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বাংলাদেশ জাতীয় দলকে অভিনন্দন জানিয়েছেন সাবেক ক্রিকেটাররা। ব্রেন্ডন ম্যাককালাম, সাকলাইন মুশতাক, শেন ওয়ার্ন, কুমার সাঙ্গাকারা, সৌরভ গাঙ্গুলীর মতো কিংবদন্তি ক্রিকেটাররা মাশরাফির দলের প্রশংসায় ছিলেন পঞ্চমুখ। কিউইদের পাঁচ উইকেটে হারানোর পর নিউজিল্যান্ডের সাবেক অধিনায়ক ব্রেন্ডন ম্যাককালাম বলেছেন, ‘সাবাশ বাংলাদেশ। বিপদে পড়েও দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছে তাঁরা। দুর্ভাগ্য ব্যাকক্যাপসদের। এ রকম কঠিন সময় যেন আর না আসে।’ দারুণ একটা জয়ের পর শিষ্যদের প্রশংসায় ভাসিয়েছেন কোচ চণ্ডিকা হাথুরুসিংহে। টাইগার কোচ তার টুইটে বলেন, ‘আগামীকাল কি হবে জানি না। তবে এই জয়টা আরো এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা দেবে। সাকিব আর রিয়াদ তোমরা অসাধারণ!! অসাধারণ জয়ের জন্য টাইগার ক্রিকেটারদের অভিনন্দন জানিয়েছে পাকিস্তানের কিংবদন্তি স্পিনার ও বাংলাদেশের সাবেক স্পিন বোলিং কোচ সাকলাইন মুশতাক। সাবেক এই ক্রিকেটার বলেন, ‘দুর্দান্ত জয়ের জন্য বাংলাদেশকে অভিনন্দন।’ টাইগারদের প্রশংসায় ভাসিয়েছেন কিংবদন্তি লঙ্কান উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান কুমার সাঙ্গাকারা। তিনি বলেন, ‘টাইগারদের দুর্দান্ত লড়াই। সাকিব ও রিয়াদ দারুণ ব্যাটিং করেছে। দারুণ লড়াই করার মনোভাব দেখিয়েছে তারা।’ টাইগারদের জয়ে অভিনন্দনের জোয়ারে গা ভাসিয়েছেন পাকিস্তানি সাবেক ক্রিকেটার শহীদ আফ্রিদি। তিনি বলেন, ‘সাকিব ও মাহমুদউল্লাহ অসাধারণভাবে লক্ষ্য তাড়া করেছে। চ্যাম্পিয়নস ট্রফি ভালোভাবেই টিকে থাকল।’ দক্ষিণ আফ্রিকার সাবেক উইকেটরক্ষক মার্ক বাউচার তাঁর টুইটারে বলেন, ‘এবারের চ্যাম্পিয়নস ট্রফি বিশ্বকে চমকে দিয়েছে। নিউজিল্যান্ড পারেনি, ইংল্যান্ড কোয়ালিফাই করেছে, বাংলাদেশ চাপ জয় করেছে এবার দক্ষিণ আফ্রিকার পালা!

চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে আজ অস্ট্রেলিয়ার টিকে থাকার লড়াই

চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে আজ অস্ট্রেলিয়ার টিকে থাকার লড়াইচ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে আজ অস্ট্রেলিয়ার টিকে থাকার লড়াই। সেমিতে যেতে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে জয়ের বিকল্প নেই অজিদের। খেলা শুরু বাংলাদেশ সময় বিকাল সাড়ে তিনটায়।

প্রথম দুই ম্যাচে অজিদের বৃষ্টি কারণে পরিত্যাক্ত হয়। দুই পরিত্যক্ত ম্যাচ থেকে দুই পেয়ে আছে পয়েন্ট তালিকার তৃতীয় অবস্থানে।

অন্যদিকে টানা দুই জয়ে সেমি-ফাইনাল নিশ্চিত করেছে ইংল্যান্ড। আজ হারলে আসর থেকে বিদায় নিতে হবে অস্ট্রেলিয়াকে। এমনকি বৃষ্টিতে ম্যাচ পরিত্যক্ত হলেও সেমিতে যাওয়া হবে না সাবেক বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের।

 

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশর সম্ভাব্য একাদাশ

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশর সম্ভাব্য একাদাশঅস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ম্যাচটিতে টাইগার দলের আসতে পারে দুই পরিবর্তন। একজন ব্যাটসম্যানকে বসানোর আঁচ পাওয়া যাচ্ছে কিছুটা। এছাড়া তিন পেসারের পরিবর্তে নামানো হতে পারে ৪ পেসার। কারণ বড় দল গুলোর নিয়ম ফলো করতে পারে টিম ম্যানেজম্যান্ট। অথবা রুবেলকে বসিয়ে তাসকিন আসতে পারে একাদশে।

কারণ অস্ট্রেলিয়ার মারকুটে ব্যাটসম্যান গ্লেন ম্যাক্সওয়েল তো বলেই দিয়েছেন, আগামীকাল বাংলাদেশ যদি আবারও কম বোলার নিয়ে নামে, তার সর্বোচ্চ সুবিধাই আদায় করবেন তাঁরা।

দেখা নেওয়া যাক কেমন হতে পারে টাইগার একাদশ:

তামিম ইকবাল, সৌম্য সরকার, মুশফিকুর রহিম (উইকেট রক্ষক), সাব্বির রহমান, সাকিব আল হাসান, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, মোসাদ্দেক হোসেন, মেহেদী মিরাজ, মাশরাফি বিন মর্তুজা (অধিনায়ক), মোস্তাফিজুর রহমান, তাসকিন আহমেদ।

 

সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টায় মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ বনাম অস্ট্রেলিয়ার

সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টায় মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ বনাম অস্ট্রেলিয়ারচ্যাম্পিয়নস ট্রফির নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে আজ শক্তিশালী অস্ট্রেলিয়ার মুখোমুখি হচ্ছে বাংলাদেশ। বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টায় শুরু হবে ম্যাচটি।

লন্ডনের কেনিংটন ওভালে আসরের হট ফেবারিট অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে মাঠে নামবে টাইগাররা। ম্যাচটি সরাসরি সম্প্রচার করবে বিটিভি, গাজী টিভি, মাছরাঙ্গা টিভি ও স্টার স্পোর্টস ওয়ান।

এর আগে চ্যাম্পিয়নস ট্রফির উদ্বোধনী ম্যাচে স্বাগতিক ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ৮ উইকেটে হেরেছে বাংলাদেশ। আজ ঘুরে দাঁড়ানোর লক্ষ্যে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে লড়বে তামিম-মুশফিক-মাশরাফিরা।

পরিসংখ্যানের পাতা উল্টালে দেখা যায় অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ১৮ ওয়ানডে ম্যাচে ১৭ হারের বিপরীতে কেবল একটিতে জয় পেয়েছে বাংলাদেশ। ২০০৫ সালে ইংল্যান্ডের কার্ডিফে মোহাম্মদ আশরাফুলের সেঞ্চুরিতে একমাত্র জয়টি পেয়েছিল বাংলাদেশ। এবার ইংল্যান্ডের সেই কার্ডিফে না হলেও কেনিংটন ওভালে অসিদের প্রতিপক্ষ হিসেবে পেয়েছে বাংলাদেশ। তারকাসমৃদ্ধ অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে মাঠে নামার আগে ১২ বছর আগের ওই জয়কে অনুপ্রেরণা হিসেবে দেখছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা।

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচটি ওভালেই খেলেছিল বাংলাদেশ। উদ্বোধনী দিনে ওই ম্যাচে সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছেন তামিম ইকবাল। সেই চেনা মাঠে আজও অস্ট্রেলিয়ার মুখোমুখি হবে টাইগাররা। একই উইকেটে খেলা হলে আজ ডিফেন্ড করার জন্য কি করতে হবে সে সম্পর্কে হয়তো আগে থেকেই ধারণা রাখবে বাংলাদেশ।

 

চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে মুখোমুখি হচ্ছে ভারত-পাকিস্তান

চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে মুখোমুখি হচ্ছে ভারত-পাকিস্তান চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে এ নিয়ে চতুর্থবারের মতো মুখোমুখি হচ্ছে ভারত-পাকিস্তান। 

ষষ্ঠ চ্যাম্পিয়নস ট্রফি খেলতে আসা শোয়েব মালিকই দুই দলের মধ্যে একমাত্র খেলোয়াড়, যিনি আগের তিন ম্যাচেই খেলেছেন। চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচে একমাত্র সেঞ্চুরিটাও তাঁর।

চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচে কোনো বোলার ৫ উইকেট নিতে পারেননি। ৪ উইকেট করে নিয়েছেন তিনজন আশিস নেহরা (৪/৫৫, ২০০৯), নাভেদ-উল-হাসান (৪/২৫, ২০০৪), শোয়েব আকতার (৪/৩৬, ২০০৪)।

চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে দুই দলের সর্বশেষ ম্যাচে (২০১৩ সালে) খেলেছেন এমন খেলোয়াড় ভারতের এই দলে আছেন ৯ জন, পাকিস্তানে ৩ জন।

ম্যাচ ১২৭

ভারত জয়ী৫১

পাকিস্তান জয়ী৭২

পরি.৪

 

 

 

 

সাফল্য পেতে আরেকটু বেশিই মনযোগ দিতে হবে পরবর্তী ম্যাচগুলোতে

সাফল্য পেতে আরেকটু বেশিই মনযোগ দিতে হবে পরবর্তী ম্যাচগুলোতেবাংলাদেশের চ্যাম্পিয়নস ট্রফির প্রথম ম্যাচ। প্রতিপক্ষ ইংল্যান্ড দল। আক্ষরিক বিশ্লেষণ করলে দক্ষতা ও যোগ্যতায় শ্রেয়তর দলও বটে। বিশ্লেষকদের কেউ কেউ যাদের হাতে শিরোপাটাই দেখছেন। সেই দলের বিপক্ষে সফল হতে হলে যেটুকু দিতে হতো, তার পুরোটা দিতে পারেনি বাংলাদেশ। কোথায় কোথায় কমতি হয়ে গেল, তা বলছি।

লম্বা একটা বিরতির পর চ্যাম্পিয়নস ট্রফির মতো বড় টুর্নামেন্টে খেলতে নেমেছে বাংলাদেশ। ম্যাচের অর্ধেক সময় পর্যন্ত সামর্থ্য অনুযায়ীই খেলেছে মাশরাফির দল। ৩০৫ রানের ইনিংস বাংলাদেশের ক’টি আছে? টুর্নামেন্টের প্রথম ইনিংসেই তিন শতাধিক রান করতে পারা একটা ক্রেডিটও বটে। তামিম ইকবাল তার পছন্দের প্রতিপক্ষের তালিকায় ইংলিশদের নাম লিখিয়ে আদায় করে নিলেন আরেকটি চোখ ধাঁধানো সেঞ্চুরি। মুশফিকও খেললেন তঁর সেরাটা।

সব মিলিয়ে সাহসী আর প্রত্যয়ী ব্যাটিংই উপহার দিয়েছেন ব্যাটসম্যানরা। প্রবাসী বাংলাদেশিরা উপভোগ করেছেন প্রতিটি ৪ আর ৬। হারলেও ভারতের সঙ্গে প্রস্তুতি ম্যাচে ৮৪ রানে ধসে পড়ার কোনো ছাপ এখানে পড়েনি। সাম্প্রতিক সময়ের চিরচেনা বাংলাদেশকেই দেখা গেছে। এই স্বস্তিটুকু ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য টাইগারদের পিঠ আপনাকে চাপড়ে দিতেই হবে।

এবার আসি ম্যাচটা হারল কেন বাংলাদেশ, সে প্রসঙ্গে। কোথায় কমতি হয়ে গেল। উত্তরটা আমি লেখার শিরোনামেই দিয়েছি। আমাদের সামর্থ্যরে চেয়েও কিছুটা বাড়তি দিতে হবে। যেটা আমরা দিতে পারিনি। যেমন, ফিল্ডিংয়ে আমরা এই ম্যাচে যেমন খেলেছি, মোটামুটি তেমনই দল। কিন্তু ভালো দলের বিপক্ষে এবং বড় মঞ্চে সাফল্য পেতে হলে আমাদের এই জায়গায় আরো অনেক বেশি দিতে হবে। সামর্থ্যরে বাইরে গিয়েও কিছু দিতে হবে। হাফ চান্সকে ফুলচান্স বানাতে হবে। চারকে দুই বানাতে হবে। সে দিক থেকে দেখলে ওভালে বিশেষ কিছুই করে দেখাতে পারেনি ফিল্ডাররা।

তুলনায়, আমার মনে হয়, শ্রেয়তর দল হওয়া সত্ত্বেও ইংরেজ ফিল্ডাররা নিজেদের সেরাটার চেয়েও বেশি কিছু দিয়েছে ফিল্ডিংয়ে। অন্তত ২০-২৫টা রান তারা সেভ করেছে। বাউন্ডারি আটকেছে যেমন, তেমনি আটকে দিয়েছে একের পর এক সিঙ্গেল। শেষ ওভারটাই দেখুন না। ৩টা রান তারা বাঁচিয়েছে। কারণ, রুট-মরগানরা জানত, ব্যাটিং স্বর্গ উইকেটে ছোট ছোট এসব সেভও শেষ বিচারে অনেক কাজে দেবে এবং দিয়েছেও তাই।

এই ম্যাচে যদি বাংলাদেশ আরো ২০/৩০টা রান বেশি করত, সমীকরণটা অন্যরকম হতে পারত। আর তামিম ইকবাল যে ক্যাচটা নিয়েও নিলেন না, অর্থাৎ আম্পায়ার বাতিল করলেন, সেই ক্যাচটাও কিন্তু হতে পারত। ঐ যে বললাম, সেরাটার চেয়েও বেশি কিছু দিতে হতো। তা হলে ম্যাচে ফিরে আসতেও পারত বাংলাদেশ। সুতরাং ফিল্ডিংয়ে আরো ঢেলে দিতে হবে নিজেদের। আশাকরি, পরের ম্যাচের আগে টিম ম্যানেজমেন্ট এটা নিয়ে কাজ করবে।

বাড়তি প্রচেষ্টা দেওয়া হয়নি ব্যাটিংয়েও। তিনশ রান করেছি ঠিক আছে। কিন্তু এটাই যে এই উইকেটে যথেষ্ট নয়, সেটা মাঠে নেমে পরের ব্যাটসম্যানরা বুঝতে পেরেছেন কি না; সেই সংশয় আছে। আর বুঝতে পারলেও নিজের সেরাটা দিতে পারেননি। তামিম-মুশফিকের রেকর্ড জুটির সুবাদে এমন শক্ত ভিতে দাঁড়িয়েও শেষ ৫ ওভারে ৪৩ রান কোনোভাবেই মানায় না। এটা এখনকার বাংলাদেশের সামর্থ্যরেও প্রমাণ না। বিশেষ করে হাতে যতক্ষণ উইকেট আছে ততক্ষণ শেষের ওভারগুলোয় স্লগ করে যাওয়াই হলো কাজ। ওভার প্রতি ১৪/১৫ রান অনায়াসেই আসা উচিত, বিশেষ করে এমন ব্যাটিং উইকেটে। এই কাজটুকু সাকিব-মাহমুদউল্লাহ-মোসাদ্দেক করতে পারেননি। এক কথায় আমাদের ভালো ফিনিশিং হয়নি।

যে রান শেষ ৫ বা ১০ ওভারে এসেছে, তা আমাদের সামর্থ্যরে সমান বা কাছাকাছি। জিততে হলে এর চেয়ে ভালো কিছু করতে হবে। এতে হবে না। যেমন, সেই ভালোটা হতে পারত ব্যাটিংয়ে আরো ২০/৩০ রান বেশি করা আর ফিল্ডিংয়ে কিছু রান আটকানো। সেটা হয়নি, তাই ম্যাচ শেষে ফলও আসেনি নিজেদের ঘরে।

সামনের দুই ম্যাচেও ব্যবধানটা এখানেই হতে পারে। কে কতটা বেশি এফোর্ট দিতে পারে; যতটা নিজের আছে তার চেয়ে কিছুটা হলেও বেশি। সেরকম কিছু দিতে পারলেই চ্যাম্পিয়নস ট্রফি থেকে কিছু নিয়ে আসা যাবে। নাহলে খালি হাতেই ফিরতে হবে।

 

ম্যাচ স্বপ্ন জয়ের মিশনে মাঠে নামছে বাংলাদেশ

ম্যাচ স্বপ্ন জয়ের মিশনে মাঠে নামছে বাংলাদেশবিশ্বসেরা আট দল নিয়ে আজ ইংল্যান্ডে পর্দা উঠছে মিনি বিশ্বকাপ খ্যাত আইসিসি চ্যাম্পিয়নস ট্রফি ২০১৭ আসরের। উদ্বোধনী দিনেই স্বাগতিক ইংল্যান্ডের মুখোমুখি হচ্ছে লাল-সবুজের প্রতিনিধি বাংলাদেশ।

বাংলাদেশ সময় আজ বিকেল সাড়ে তিনটায় শুরু হবে মর্যাদার এ লড়াই। লন্ডনের কেনিংটন ওভাল থেকে সেটি সরাসরি সম্প্রচার করবে গাজী টিভি, মাছরাঙ্গা টিভি ও স্টার স্পোর্টস ১।

সাম্প্রতিককালে বদলে যাওয়া বাংলাদেশ আজ মাঠে নামছে চ্যাম্পিয়নস ট্রফির হট ফেবারিট দল ইংল্যান্ডের বিপক্ষে। র‌্যাঙ্কিং যুদ্ধের পর প্রাক্তন চ্যাম্পিয়ন ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও পাকিস্তানকে পেছনে ফেলে এবারের আসরে সরাসরি খেলার যোগ্যতা অর্জন করেন সাকিব-তামিম-মুশফিকরা।

২০০৬ আসরে প্রথমবারের মতো চ্যাম্পিয়নস ট্রফির বাছাইপর্বে খেলার যোগ্যতা পায় বাংলাদেশ। ওই আসরে বাছাইপর্বে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ম্যাচে জয় পেয়েছিল বাংলাদেশ। চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে ওটাই বাংলাদেশের একমাত্র জয়। তবে এবার আর বাছাইপর্ব নয়, র‌্যাঙ্কিংয়ে এগিয়ে থেকে সরাসরি খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছে বাংলাদেশ।

চ্যাম্পিয়নস ট্রফির আগে শ্রীলঙ্কার মতো দলকে পেছনে ফেলে প্রথমবারের মতো ওয়ানডে র‌্যাঙ্কিংয়ের ছয়ে উঠে এসেছে বাংলাদেশ। আসরের শুরুর আগেই এমন ফলাফল আত্মবিশ্বাস যোগান দেবে বাংলাদেশকে। স্বাগতিক ইংল্যান্ড এবং বিপরীতমুখী কন্ডিশন হলেও সাম্প্রতিক ত্রিদেশীয় সিরিজের দারুণ সাফল্যই এগিয়ে রাখবে টাইগারদের।

বদলে যাওয়া বাংলাদেশকে হালকা করে দেখছে না এবারের আসরের হট ফেবারিট ও আয়োজক দল ইংল্যান্ড। সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স বিবেচনায় ইংলিশ মিডিয়াগুলো বাংলাদেশের বিপক্ষে সজাগ থাকার কথা বলছে ইংল্যান্ডকে। ‘দ্য উইক’ নামে একটি ইংলিশ গণমাধ্যম বাংলাদেশকে মন্তব্য করেছে ‘ব্যানানা স্কিন’ বলে। টাইগারদের তরুণ প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের বিপক্ষে ইংলিশরা পা পিছলাতে পারে বলে মনে করছে গণমাধ্যমটি।

চ্যাম্পিয়নস ট্রফির আগে প্রস্তুতি ম্যাচ না খেললেও দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সাম্প্রতিক ২-১ ব্যবধানে ওয়ানডে সিরিজ জয়ে নিজেদের জানান দিয়েছে ইংল্যান্ড। অন্যদিকে প্রস্তুতি ম্যাচে পাকিস্তান ও ভারতের বিপক্ষে হারলেও সেসব ভুলে নিজেদের সাম্প্রতিক সেরাটা তুলে ধরতে চাইবে মাশরাফির বাংলাদেশ। ইংল্যান্ডে আগে থেকে অনুশীলন ক্যাম্প আর আয়ারল্যান্ডে ত্রিদেশীয় সিরিজের সাফল্য বাংলাদেশের আত্মবিশ্বাসের পালে হাওয়া দেবে; এমনটাই বিশ্বাস টাইগার ক্রিকেট ভক্তদের।

 

চ্যাম্পিয়ন ট্রফির মূল প্রতিযোগিতায় এমনটা হবে না

চ্যাম্পিয়ন ট্রফির মূল প্রতিযোগিতায় এমনটা হবে নাপ্রস্তুতি ম্যাচ ভারতের বিপক্ষে ৮৪ রানে অলআউট হয়ে যাওয়াটা মেনে নেওয়া বেশ কষ্টকরই। বিশেষ করে চ্যাম্পিয়নস ট্রফির মূল লড়াই শুরু হওয়ার ঠিক আগে আত্মবিশ্বাসবিনাশী এক পারফরম্যান্স বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের। তিন ব্যাটসম্যানের শূন্য রানে ফেরা। এত দিন রানের ফুলঝুরি ছোটানো ব্যাটসম্যানদের এই পারফরম্যান্স কিন্তু শঙ্কিত করছে ক্রিকেটপ্রেমীদের।

তবে কি ইংল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া মতো প্রতিপক্ষ দলের বিপক্ষে আশা নেই বাংলাদেশের? কাল ওভালের প্রস্তুতি ম্যাচে ধ্বংসস্তূপের মধ্যে দাঁড়িয়ে লড়াই করা মেহেদী হাসান মিরাজের ভাবনাটা অবশ্য এতটা নেতিবাচক নয়। তিনি মনে করেন, ‘মূল প্রতিযোগিতায় এমন কিছু হওয়ার কোনো শঙ্কা নেই।’

৮৪ রানে অলআউট হয়ে দলের সবার মন খারাপ ঠিকই। কিন্তু আত্মবিশ্বাসটা হারিয়ে যায়নি। আজকের দিনটা আমাদের খারাপ গেছে। তবে মূল প্রতিযোগিতায় এমনটা হবে না বলেই মনে করি।’

ভুবনেশ্বর কুমার, উমেশ যাদবদের বোলিং শুরুর দিকে সামলানোটা একটু কঠিনই ছিল বলে জানিয়েছেন মিরাজ। তবে ব্যাপারটিকে অজুহাত হিসেবে দাঁড় করাতে চান না তিনি, ‘ইনিংসের শুরুতে বলের মুভমেন্ট অনেক বেশি ছিল। বল সুইংও করছিল। তবে বল যখন পুরোনো হয়ে গেছে, তখন সমস্যা হয়নি।’

প্রস্তুতি ম্যাচ দুটি মূল প্রতিযোগিতার আগে দলের আত্মবিশ্বাস বাড়াবে বলেই দাবি মিরাজের, ‘এই কন্ডিশনে খেললে আত্মবিশ্বাস বাড়ে। এখানে পেসাররা যথেষ্টই সুবিধা পায়। আমি মনে করি, প্রস্তুতি ম্যাচের অভিজ্ঞতা আসল ম্যাচে কাজে লাগবে এবং চ্যাম্পিয়ন ট্রফির মূল প্রতিযোগিতায় এমনটা হবে না।’

 

আইসিসি চ্যাম্পিয়ানস ট্রফির সময়সূচি

আইসিসি চ্যাম্পিয়ানস ট্রফির সময়সূচিদুদিন পরই শুরু হচ্ছে আইসিসি চ্যাম্পিয়ানস ট্রফি। পয়লা জুন বাংলাদেশ ও ইংল্যান্ড ম্যাচ দিয়ে শুরু হবে এবারের টুর্নামেন্ট। আইসিসি র‍্যাঙ্কিং এর সেরা আটটি দল এই টুর্নামেন্টে খেলবে। ফলে প্রতিটি ম্যাচেই জমজমাট প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বলে আশা করছেন ক্রিকেট বিশ্লেষকরা।

পয়লা জুন থেকে শুরু হয়ে ১৮ জুন পর্যন্ত লন্ডনের দ্যা ওভাল, বামিংহামের এজবাস্টন ও কার্ডিফ স্টেডিয়ামে এই ম্যাচগুলো অনুষ্ঠিত হবে।